ইয়ারফোন আমাদের কানের কতটা ক্ষতি করতে পারে। এবং সমাধান কি
ভাই আমরা যে যার ফোন দিয়ে রেগুলার গান শুনি এতে করে আমাদের কানে কি কোন সমস্যা হতে পারে বা কোন প্রবলেম হতে পারে ভবিষ্যতে??আমরা যে সমস্থ ইয়ারফোন বা ইয়ারবাডস ব্যবহার করি তা হতে সমস্যা হতে পারে। কিভাবে হতে পারে এবং কি সমস্যা হতে পারে সেগুলো নিয়ে আজকে পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব এবং কোন ওয়েতে ব্যবহার করলে আপনার কানের কোন সমস্যা হবে না সে বিষয়টিও নিশ্চিত জানবো। আজকের পোস্টটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে তাই রিকোয়েস্ট থাকবে পোস্টটা মনোযোগী হয়ে দেখার জন্য। ট্রাই করবো পোস্টটা ছোট করে ভালোভাবে বোঝানোর। পোস্টটি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন এবং অন্যদের শেখার সুযোগ করে দিবেন।
বর্তমানে এমন একটা সময় আমরা পার করছি, একটা দিন হয়তো আমরা কাটাতে পারব না স্মার্টফোন ছাড়া। পাশাপাশি তেমনি রয়েছে প্রত্যেক দিনই আপনার ফোন দিয়ে গান শুনেন এবং আবার অনেকেই আছেন যারা দিনের মোটামুটি বলা যায় চার-পাঁচ ঘণ্টা পার করে দেন কোন একটা ইয়ারফোন এর সাথেই। এতে করে অবশ্যই আপনার কানের সমস্যা তৈরি হতে পারে। যদি আপনি বেশ কিছু নিয়ম-কানুন জেনে রাখেন তাহলে খুব সহজেই সমস্যার সমাধান বের করতে পারবেন। সমস্যাটা কিভাবে তৈরি হতে পারে সে বিষয়টা আপনারা একটু জানবো কিভাবে কাজ করে বা আমরা কিভাবে সরাসরি শুনি!! যদি একটু বুঝিয়ে বলি তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কিভাবে ক্ষতি হচ্ছে এখানে তিনটা পার্টি বিভক্ত আছে। প্রথমে বাইরের অংশ, তারপর মধ্যমাংশ এবং তারপর ভেতরের অংশ।
আমরা আসলে কিভাবে শুনতে পাই ধরুন একটা সাউন্ড হলো তা আমাদের কানের পর্দায় গিয়ে লাগে যাকে বলে এয়ারড্রান। সাউন্ডটি এয়ারড্রানে গিয়ে ভাইব্রেশন বা কপ্পন তৈরি করে। তারপর এই কপ্পন চলে যায় ককেলিয়াতে। এখানে আবার টারনিং এয়ারসেল থাকে। এই এয়ারসেল সাউন্ডের কপ্পনটাকে কনভার্ট করে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে। সেই সিগন্যাল সেন্ড হয়ে যায় আমাদের ব্রেইন অতঃপর আমরা শুনতে পাই।
আপনি যখন অতিরিক্ত পরিমাণে লাউডলি গান শুনেন দীর্ঘ সময়ের জন্য তাহলে আস্তে আস্তে এয়ারসেল গুলো দুর্বল হয়ে পড়বে সেটাই তো হওয়া স্বাভাবিক তাই না? এভাবেই আপনি আপনার কানের ক্ষতি করছেন প্রতিনিয়ত। অনেকেই বলেন ভাই আমি তো দুই-তিন বছর ধরে এইভাবে গান শুনছি কই কোনো সমস্যা তো এখনো হয়নি। আমি আপনাকে বলবো আপনি এখনো ইয়াং। আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার কান দুর্বল হতে থাকবে।
তাহলে এই সমস্যা সমাধান কি?
রুলস আছে যেটাকে বলা হয় ৬০/৬০ মিনিটের জন্য কানে ধারণ করতে পারেন সাথে ৬০% ভলিয়াম। অবশ্যই ৬০ পার্সেন্ট ভোলিয়াম লেভেলের বেশি না তারপর কিছু সময় রেস্ট নিয়ে আবার ৬০ মিনিট পরে অবশ্যই আপনি কান থেকে খুলে ফেলুন। এমন অনেকেই রয়েছে যারা টানা 5 ঘন্টা গান শুনতে থাকেন আবার অনেকে একটা ভুল করেন শুধুমাত্র একটা কানেই ইয়ারফোন ব্যবহার করেন। এই কাজটা ভুলেও করবেন না। আপনি যদি একটা কানেই সব সময় লাগিয়ে রাখেন সে ক্ষেত্রে আপনি দুই কানই ব্যবহার করুন এবং এটা মাথায় রাখবেন ৬০ শতাংশের বেশি না।
তো আমারা যত লাউডলি মিউজিক শুনবো আমাদের কান তত তাড়াতাড়ি ড্যামেজ হয়ে পড়বে। তাই আমাদের একটু সাবধান থাকতে হবে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন কেমন লাগলো আজকের পোস্টটা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের সাথে নিশ্চয়ই দেখা হবে নতুন কোনো বিষয় নিয়ে। আল্লাহ হাফেয।


